
বর্তমান নিউজ ডেস্ক
কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের আস্তানা ঘিরে শনিবার সকাল থেকে আবারও যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে। হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা-রঙ্গিখালী পাহাড়ি এলাকায় সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে অভিযানে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের দেড় শতাধিক সদস্য অংশ নিয়েছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) একই পাহাড়ি এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে জিম্মি দশা থেকে ৫৭ জনকে উদ্ধারের কথা জানানো হয়। ওই অভিযানে মানবপাচারকারী চক্রের পাঁচ সদস্য আটক হন। গোলাগুলির মধ্যে সেনাবাহিনীর সৈনিক মো. তিতাস শেখ (২৭) নিহত হন।
শুক্রবার উদ্ধার হওয়া ৫৬ জনকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
এদিকে, পাহাড়ি আস্তানার কাছে তিনটি মরদেহ পড়ে থাকার খবর পাওয়া গেছে। কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধারের আগে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। সেগুলোর সন্ধানে কাজ চলছে।
উদ্ধার হওয়া ভুক্তভোগী আসাদুজ্জামান জানান, চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাঁকে কক্সবাজারে ডেকে নিয়ে পাহাড়ের আস্তানায় আটকে রাখা হয়। সেখানে আট দিন বন্দি ছিলেন তিনি; দুবার পালানোর চেষ্টা করেও পারেননি। তাঁর ভাষ্য, আস্তানায় ৫০ জনের বেশি মানুষ ছিলেন এবং তাঁদের সাগরপথে পাচারের প্রস্তুতি চলছিল। বন্দিদের মোবাইল ফোন ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্রও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।
মানবপাচারকারী চক্রের তৎপরতা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত যৌথ অভিযান চলবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।
ব/নি-ব/জ