1. admin@bartamannews.com : admin :
  2. news1@gmail.com : News 1 : News 1
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রমিকদের আন্দোলনে টিয়ারশেল, আতঙ্কে স্কুলফেরত শিশু ও অভিভাবকেরা একজনের নামে সর্বোচ্চ ৫ ই-রিকশা, চলাচলে লাগবে নিবন্ধন ও ফিটনেস সনদ হালুয়াঘাট সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১২ লাখ টাকার মোবাইল ডিসপ্লে জব্দ মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ তিন দলে, ১০ বছর কাউন্সিল করেনি বিএনপি: টিআইবি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল: কঠিন সমীকরণে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেশ গড়ার কাজে যুবকদের এগিয়ে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতির শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে মিরপুরের তিন মেট্রো স্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন নতুন মজুরি বোর্ড গঠন, আন্দোলন ছেড়ে কাজে ফেরার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর ইরান যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত: বিপ্লবী গার্ড কমান্ডার নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে ইলিশ কম, ঘাটে ডিমওয়ালা ও নষ্ট মাছ

শ্রমিকদের আন্দোলনে টিয়ারশেল, আতঙ্কে স্কুলফেরত শিশু ও অভিভাবকেরা

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
  • ২৮ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক | বর্তমান নিউজ

ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের ছোড়া টিয়ারশেলের ধোঁয়ায় মিরপুর ১১ নম্বর এলাকার কয়েকটি স্কুলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

রোববার (১ নভেম্বর) সকাল থেকে মিরপুর ১০ ও ১১ নম্বর এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। একপর্যায়ে মিরপুর ১১ নম্বরে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কয়েক দফা টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। ধোঁয়ায় আশপাশের ফুটপাত ও সড়ক ঢেকে গেলে পথচারী ও উৎসুক লোকজন নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছোটাছুটি করেন। বন্ধ হয়ে যায় আশপাশের দোকানপাট ও বিপণিবিতান। মেট্রোস্টেশনের নিচ থেকে ১১ নম্বর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত এলাকায় পুলিশের তৎপরতা দেখা যায়। পরে যান চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক হলেও মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছিল।

মিরপুর ১১ নম্বরের হীড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তারের বাবা ইমতিয়াজ বলেন, স্কুল ছুটির আগেই এলাকায় সংঘর্ষ শুরু হয়। হঠাৎ টিয়ারশেলের ধোঁয়ায় তাঁর মেয়ের চোখ জ্বালা ও শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। ভয় পেয়ে শিশুটি তাঁকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে। পরে তিনি মেয়েকে নিয়ে স্কুলের ভেতরে আশ্রয় নেন।

একই স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শাফিনকে নিতে এসেছিলেন রূপনগরের বাসিন্দা সাদেকুল ইসলাম। তিনি বলেন, স্কুলগেটে অপেক্ষার সময় সাউন্ড গ্রেনেডের শব্দ ও টিয়ারশেলের ধোঁয়ায় এলাকা ভরে যায়। অভিভাবকেরা সন্তানদের নিয়ে নিরাপদ জায়গায় সরে যান। তিনি ছেলের হাত ধরে পাশের একটি গলিতে আশ্রয় নেন। ঘটনার পরও তাঁর চোখ, নাক ও মুখে জ্বালাপোড়া হচ্ছিল বলে জানান।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বর্তমান নিউজ
Theme Customized By Shakil IT Park