1. admin@bartamannews.com : admin :
  2. news1@gmail.com : News 1 : News 1
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প-শি বৈঠক, বাণিজ্য ও এআইসহ নানা বিষয়ে আলোচনা স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অটুট সমর্থন পুনর্ব্যক্ত প্রধানমন্ত্রীর আইন অঙ্গনে নেমে এলো শোকের ছায়া, অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম স্বপনের ইন্তেকাল রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুল, আদালতে নেওয়া হচ্ছে সাংবাদিক মাসুম বিল্লাহর মায়ের কুলখানিতে সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ জাতিসংঘে আজ রাতে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব জোরদারে বাংলাদেশের অঙ্গীকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে শান্তি প্রক্রিয়া—সব পর্যায়ে নারীর অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিতের তাগিদ নারায়ণগঞ্জ শহরে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সাদ্দাম-সবুজের নেতৃত্বে রাজপথে আইন ছাত্র ফোরাম, নারায়ণগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগ বিরোধী বিক্ষোভ মিছিলে লিপি খন্দকারের নেতৃত্বে মহিলা নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ

পশুর হাটের কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, কাউন্সিলর নির্বাচনে প্রস্তুত বিএনপির ৭ নেতা

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬
  • ১৯১ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার :
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সিদ্ধিরগঞ্জের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইব্রাহীম টেক্সটাইল মিল বালুর মাঠের কোরবানির পশুর হাট থেকে প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির সাত নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, আত্মসাৎ করা অর্থ দিয়েই তারা আসন্ন কাউন্সিলর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মমতাজ উদ্দীন মন্তু, সাগর প্রধান, শেখ মোহাম্মদ অপু, দেলোয়ার হোসেন খোকন, আবুল বাশার বাদশা খান, মাজহারুল ইসলাম ও আরমান হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত একটি সিন্ডিকেট হাটের আয়-ব্যয়ের হিসাব গোপন করে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ইব্রাহীম টেক্সটাইল মিলের হাটে প্রায় ৫ হাজার পশুর হাসিল আদায় করা হলেও হিসাব দেখানো হয়েছে সাড়ে ৩ হাজার পশুর। এতে প্রায় দেড় কোটি টাকার হিসাব গোপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এছাড়া বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে আরও প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মমতাজ উদ্দীন মন্তু ৮ নম্বর ওয়ার্ডের, আরমান হোসেন ১০ নম্বর ওয়ার্ডের এবং মাজহারুল ইসলাম ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশুর হাটের ইজারা নেন। একই সঙ্গে তারা হাট পরিচালনা কমিটির দায়িত্বেও ছিলেন। ফলে ইজারা, পরিচালনা ও লভ্যাংশ—সব ক্ষেত্রেই তাদের প্রভাব ছিল।
এ ঘটনায় শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাদের অভিযোগ, লভ্যাংশের প্রকৃত হিসাব গোপন করা হয়েছে এবং অনেক বিনিয়োগকারী এখনো তাদের মূলধন ফেরত পাননি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা। ইজারাদার মমতাজ উদ্দীন মন্তুও জানিয়েছেন, প্রকৃত বিনিয়োগকারীদের পাওনা পরিশোধ করা হয়েছে এবং অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। নেতাকর্মীরা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, এ বিষয়ে এখনো কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি। ফলে অভিযোগগুলো অভিযোগকারীদের বক্তব্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বর্তমান নিউজ
Theme Customized By Shakil IT Park