
বর্তমান নিউজ ডেস্ক | বিশেষ প্রতিবেদক
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশে ফিরছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান—এমন প্রত্যাশায় দেশজুড়ে নেতাকর্মীদের মাঝে বিরাজ করছে উচ্ছ্বাস ও আবেগঘন প্রস্তুতি। দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগামী ২৫ তারিখে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় এক কোটি মানুষের ঐতিহাসিক সমাগম ঘটতে যাচ্ছে, যা গত ১৮ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হবে—ইনশাআল্লাহ।
বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বলছেন, এই প্রত্যাবর্তন শুধু একজন নেতার দেশে ফেরা নয়; এটি হবে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে নতুন জাগরণ। “বীরের বেশে তারেক রহমান বাংলাদেশে ফিরে আসবেন”—এমন স্লোগানে মুখর হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের রাজনীতি।
এদিকে, এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে দলীয় নেতাকর্মীরা বিশেষভাবে দোয়া কামনা করেছেন গণতন্ত্রের মা, আপসহীন নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য। বিভিন্ন সমাবেশ, দোয়া মাহফিল ও বক্তব্যে নেতারা বলেন, “আল্লাহ যেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা দান করেন—আমিন।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে যে গণজোয়ারের প্রস্তুতি চলছে, তা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে। দীর্ঘ সময় পর এমন গণসম্পৃক্ততা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলেও মত তাদের।
সবমিলিয়ে, ২৫ তারিখকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে যে আবেগ, প্রত্যাশা ও প্রস্তুতি চলছে—তা সত্যিই ইতিহাসের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।