
নিজস্ব সংবাদদাতা: প্রিয় পূর্বাচল ও রুপগঞ্জ বাসী-
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটা কথা মনে রাখবেন; ধানের শীষ প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী আমি পূর্বাচলের সন্তান মোঃ দুলাল হোসেন কিন্তু আপনাদেরই হাতে গড়া সন্তান, আপনাদেরই ভাই। মহান মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে, পূর্বে- শীতলক্ষ্যা নদী থেকে পশ্চিমে- বালু নদী পর্যন্ত- দক্ষিণে- চনপাড়া থেকে উত্তরে- কালিগঞ্জ পর্যন্ত একটি অজপাড়া, অপয়া ও অবহেলিত গাঁ হিসেবে যুগের পর যুগ এ অঞ্চলের মানুষ গুলো কষ্ট করে আসছে। বিগত দিনে যারা ক্ষমতায় আসছে আপনারাই আমার থেকে ভালো জানেন শীতলক্ষ্যা নদীর ঐ পারে নারায়ণগঞ্জ- ১ আসনের বাজেটের প্রায় ৭৮ শতাংশ খরচ ঐ (পূর্ব) পাড়ে করে থাকে- কেউ আপনাদের এই (পশ্চিম) পাড়ের সুযোগ সুবিধার কথা নিয়ে চিন্তাও পর্যন্ত করেনি। আর- চিন্তা করেনি বলেই আজ- ঐ পাড় ঘরে ঘরে গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ, রাস্তা-কালভার্টের মোড়ে মোড়ে লাইটপোস্ট, পরিকল্পিত ডাস্টবিন, হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয়, পার্ক, পরিকল্পিত কাচা বাজার, মিল-কারখানা সহ একের পর এক নাগরিক বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা নদীর ঐ পাড় এক তরফা ভাবে করে গেছে। নিজ গ্রাম বা নিজ শহরকে প্রাধান্য দিয়ে আপনাদের ওপর অর্পিত সরকারি বাজেট কে মন গড়া ভাবে ব্যাবহার করে গেছে। ফলে- আপনাদের গ্রাম/আপনার শহর আজও অজপাড়া, ভূমিহীন, দরিদ্রতার আদলেই রয়ে গেছে। শুধু তাই নয়- পূর্বাচল নতুন শহরে অধিগ্রহণকৃত সম্পত্তির আদলে এ অঞ্চলের মানুষদের কে ৭০ হাজারেরও অধিক প্লট বরাদ্দ দেওয়ার কথা হাজারও জনতার উপস্থিতে শুনিয়ে গিয়ে ছিলেন তৎকালীন সাংসদ! কিন্তু প্রশ্ন হলো– কোথায় সে প্লট—? কোথায় আদিবাসী ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের অধিগ্রহন হয়ে যাওয়া সম্পত্তির হিস্যা—? নারায়ণগঞ্জ- ১ তথা- রুপগঞ্জে এক বার নয় বরং একাধিক বার রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী বা মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। তাতেও এই বালু নদী ও শীতলক্ষ্যা নদীর পার এর ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ গুলোর কোনো লাভ হয়নি। আজও গুটি কয়েক জন ছাড়া কারও ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। বরং লাভ হয়েছে তাদের- যারা এ অঞ্চলকে এখনো আগের মতো করে অজপাড়াগাঁ বানিয়ে রাখতে চায়, লাভ হয়েছে তাদের যারা দুলাল হোসেন কে নির্বাচনী মাঠ থেকে সরাতে চায়, লাভ হয়েছে তাদের যারা এসি রুমে বসে বসে এ অঞ্চলকে অবহেলার কাতারে দাড় করাতে চায়।
সম্মানিত পূর্বাচল বাসী- এ সব সমস্যা সমাধান বা নিরসনের জন্য এখনি সময় এসেছে। মনে রাখবেন- আমি আপনাদেরই সন্তান, আপনাদেরই ভাই, আমি আপনাদের হয়ে আপনাদের অসম্পূর্ণ কাজ গুলো করতে চাই। আমি পূর্বাচলের ১০ নম্বর সেক্টরের পশি হাড়াড় বাড়ি গ্রামের মিয়া বংশের সম্ভ্রান্ত ও সাবলম্বী এক ঐতিহ্যপূর্ণ পরিবারের স্থায়ী বাসিন্দা, রাজ পথের লড়াকু সৈনিক, আপোষহীন নেত্রীর আপোষহীন কর্মী, ত্যাগী-কারা নির্যাতিত ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুব দলের সাবেক সফল কেন্দ্রীয় সহ: সভাপতি। আমি আপনাদের ভাগ্যকে পরিবর্তনের লক্ষ্যে, আপনাদের সরকারী সুযোগ সুবিধা বুঝিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে, আপনার সরকারি হিস্যা আপনাদেরকে বুঝিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে, আপনার গ্রাম/শহর কে আধুনিক গ্রাম/শহর বানানোর লক্ষ্যে- এই প্রথম শীতলক্ষ্যা নদীর পশ্চিম পার থেকে তথা- পূর্বাচল থেকে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে আপনাদের পক্ষে আমি মোঃ দুলাল হোসেন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে যাচ্ছি। তার সাথে সাথে আপনাদের গ্রাম/শহর কে আধুনিক শহরে রূপান্তর করতে এবং আপনাদের অধিগ্রহণকৃত সম্পত্তির আদলে পূর্বাচলে প্লট বরাদ্ধ নিতে আমাকে ভোট দিয়ে আমার হাতকে আরও শক্তিশালী করুন। মনে রাখবেন- মোঃ দুলাল হোসেন কোনো এসি করা রুমে বসে থাকা ফ্যাসিস্টের ইশারায় চলা কোনো ভাইরাল নেতা নয়। বরং মোঃ দুলাল হোসেন রাজ পথের পরিক্ষিত নেতা, দুলাল হোসেন দলের স্বার্থে পুলিশের ডান্ডা বেরী পরিধারী নেতা, স্বৈরাচারের বানানো আয়না ঘরে গুম হওয়া নেতা, বউ-বাচ্চার কথা বিসর্জনের পথে রেখে রাজপথে জীবনের ঝুকি নিয়ে শহিদ জিয়া আদর্শকে প্রতিষ্ঠিত করার নেতা। জেল-রিমান্ড কে পরোয়া না করে আপোষহীন নেত্রীর মতো আপোষহীন নেতা। তাই আমি আবারও বলবো- আমি আপনাদেরই ভাই, আপনাদেরই সন্তান। সুতরাং বালু নদী ও শীতলক্ষ্যা নদীর পারের মানুষ যারা- বিশেষ করে তারা আমার পাশে থাকুন। রাজনীতি তে এই অঞ্চলে আপনাদের মনিব হতে নয় বরং আপনার সেবক হতে এসেছি। আমি প্রতিশ্রুতি তে নয় বরং শপথ বাস্তবায়নে বিশ্বাসী।