
নিজস্ব প্রতিবেদক। বর্তমান নিউজ
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজধানীর মহাখালী ও গুলশান-বনানীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সৌহার্দ্যের বার্তা দেন।
রাজধানীর মহাখালী সার্বজনীন শ্রী শ্রী রক্ষাকালী মন্দিরে উপস্থিত হয়ে মন্দিরটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ড্রিম হলিডে পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বিশিষ্ট শিল্পপতি বাবু প্রবীর কুমার সাহার একক উদ্যোগ ও অর্থায়নে মন্দিরটি নির্মিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
প্রবীর কুমার সাহার ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও অর্থায়নে নির্মিত মন্দিরটি স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উপাসনা ও পূজা-অর্চনার জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে। মন্দিরের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে ভক্ত ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
ধর্মীয় সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রী: প্রবীর কুমার সাহা
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাবু প্রবীর কুমার সাহা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধর্মীয় সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর এ উদ্যোগ সব ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশে সব ধর্মের মানুষ যেন নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে ও আনন্দের সঙ্গে উদ্যাপন করতে পারেন, সে পরিবেশ বজায় রাখা সবার দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের উদ্যোগ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে বলে আমি আশাবাদী।”
প্রবীর কুমার সাহা দীর্ঘদিন ধরে শিল্প ও ব্যবসার পাশাপাশি মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তাঁর একক উদ্যোগে নির্মিত রক্ষাকালী মন্দিরের উদ্বোধন ধর্মীয় উপাসনার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার গুরুত্বকেও সামনে নিয়ে এসেছে।
সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা
শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়কে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতিময় বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব—এমন প্রত্যাশা অনুষ্ঠানে উঠে আসে।
মহাখালীর শ্রী শ্রী রক্ষাকালী মন্দিরের উদ্বোধনকে ঘিরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান ধর্মীয় উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের গুরুত্বকে নতুন করে তুলে ধরে।