1. admin@bartamannews.com : admin :
  2. news1@gmail.com : News 1 : News 1
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুরে ওষুধ কারখানার আগুন ৪ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে আইভীর ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের পর আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার ৩ আড়াইহাজারে অবৈধ সিসা কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত জনজীবন, হুমকিতে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২০ ইউনিট; যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী-বিজিবি-পুলিশ টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ২১ ইউনিট, যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী শেরপুরে কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ, অস্বীকার কথিত অভিযোগকারী কৃষকরা সারিয়াকান্দিতে পুলিশের পৃথক অভিযান, মাদক ও বার্মিজ চাকুসহ আটক ৬ চিরিরবন্দরে মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ড ঘিরে মামলায় কারাগারে সাংবাদিক পদ স্থগিতের প্রতিবাদে আনোয়ার প্রধানের অনুসারীদের মৌন মিছিল, বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপ কামনা আগারগাঁওয়ে নতুন সচিবালয় নির্মাণের পরিকল্পনা, লটারিতে বদলি-পদায়ন ১,৪৩০ জনের

সিদ্ধিরগঞ্জে ফুটপাত নিয়ে নতুন করে আলোচনা, চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার হকারদের হকার উচ্ছেদ নয়, শৃঙ্খলা ও জনভোগান্তি কমানোর উদ্যোগ দাবি স্থানীয়দের

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৪৭ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক | বর্তমান নিউজ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী ইপিজেড এলাকার রিমি গার্মেন্টসের সামনের ফুটপাতকে ঘিরে হকারদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ নিয়ে এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগটি সরাসরি অস্বীকার করেছেন স্থানীয় ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট হকাররা। তাদের দাবি, হকারদের কাছ থেকে কোনো ধরনের চাঁদা নেওয়া হয়নি এবং কাউকে উচ্ছেদ করাও মূল উদ্দেশ্য নয়। বরং গার্মেন্টস শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক রাখা, ময়লা-আবর্জনা অপসারণ এবং ফুটপাত এলাকায় শৃঙ্খলা ফেরাতেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রিমি গার্মেন্টসের মূল ফটকের উত্তর পাশে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন হকার ফুটপাতের ওপর দোকান বসিয়ে ব্যবসা করে আসছিলেন। ব্যস্ত এই এলাকায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের যাতায়াতের সময় ফুটপাত সংকুচিত হয়ে পড়ায় পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তি তৈরি হচ্ছিল। পাশাপাশি দোকানের আশপাশে ময়লা-আবর্জনা জমে দুর্গন্ধ ছড়ানোর অভিযোগও ছিল।
এ অবস্থায় সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগে ওই এলাকায় জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণ এবং বালু ফেলে জায়গাটি পরিষ্কার ও চলাচলের উপযোগী করার ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে জানান স্থানীয়রা। তাদের দাবি, এর মাধ্যমে একদিকে যেমন পরিবেশের উন্নতি হয়েছে, অন্যদিকে শ্রমিক ও পথচারীদের চলাচলেও কিছুটা স্বস্তি এসেছে।
স্থানীয় হকারদের দাবি, তাদের জীবিকা বন্ধ করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বরং ফুটপাতের ওপর যাতে এলোমেলোভাবে দোকান না বসে এবং সাধারণ মানুষের চলাচলে বাধা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে শৃঙ্খলা আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।
চাঁদা আদায়ের অভিযোগ প্রসঙ্গে স্থানীয় ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা বলেন, হকারদের কাছ থেকে ব্যক্তিগতভাবে কোনো অর্থ আদায় করা হয়নি। ময়লা-আবর্জনা ও দুর্গন্ধের কারণে এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে সমস্যায় ছিল। তাই স্থানীয়ভাবে জায়গাটি পরিষ্কার ও ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
হকাররাও একই দাবি করে বলেন, “আমরা কাউকে চাঁদা দিই না। চাঁদা দেওয়ার বিষয়টি অপপ্রচার।” তাদের ভাষ্য, ফুটপাতের ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে নানা ধরনের সমস্যা থাকলেও তাদের কাছ থেকে ব্যক্তিগতভাবে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়।
এদিকে স্থানীয় বিএনপি ও শ্রমিক দলের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের অভিযোগের বিষয়টিও সংশ্লিষ্টরা অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, তারা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান এবং অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে আসছেন। হকারদের কাছ থেকে ব্যক্তিগত স্বার্থে কোনো অর্থ আদায়ের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা নেই।
এলাকাবাসীর একাংশ বলছেন, ফুটপাতের ওপর দোকান বসানোর কারণে যেমন জনভোগান্তি তৈরি হতে পারে, তেমনি হকারদের জীবিকার বিষয়টিও উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। তাই হকার উচ্ছেদের পরিবর্তে নির্দিষ্ট জায়গায় সুশৃঙ্খলভাবে ব্যবসার সুযোগ তৈরি করা হলে উভয় পক্ষের সমস্যার সমাধান সম্ভব।
তাদের মতে, গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিরাপদ চলাচল, পথচারীদের স্বাভাবিক যাতায়াত এবং হকারদের জীবিকা—তিনটি বিষয়কে সমন্বয় করেই স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন। একই সঙ্গে কারও বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মতো গুরুতর অভিযোগ উঠলে তা যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয় হকারদের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য বের করে আনা হোক। যাচাই-বাছাই ছাড়া কাউকে চাঁদাবাজ বা অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত নয়।
সিদ্ধিরগঞ্জ ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষ, হকার ও এলাকাবাসীর সমন্বয়ে আলোচনার মাধ্যমে ফুটপাত ব্যবস্থাপনার একটি স্থায়ী সমাধান করা হবে। এতে একদিকে যেমন হকারদের জীবিকা রক্ষা পাবে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের চলাচল ও এলাকার পরিবেশও স্বাভাবিক থাকবে।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বর্তমান নিউজ
Theme Customized By Shakil IT Park