ভু’য়ো ভ্যা’কসিন নিয়ে এবার বিপাকে প’ড়’লেন মিমি, গেলেন রে’গে, ভাইরাল ভিডিও!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- এবার ভু-ল ভ্যা-কসিন নিয়ে বিপাকে পড়লেন সাংসদ অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী । আমরা জানি দেশের যা পরিস্থিতি চলছে তাতে দেশের একমাত্র উপায় হল ভ্যা-কসিন। যখন প্রথম দিকে করোনা প্রভাব বিস্তার করেছিল গোটা দেশজুড়ে তখন সকলের মুখে একটাই প্রশ্ন ছিল যে ভ্যাকসিন কবে আসবে । সেই অর্থে তড়িঘড়ি করেই বাজারে আনা হয়েছিল ক-রোনা ভ্যা-কসিন । যদিও এই ভ্যা-কসিন নিয়ে থেকেছে অনেক জ-ল্পনা এবং বিতর্ক । কিন্তু তবুও গণহারে ভ্যা-কসিন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে টি মধ্যে গোটা দেশজুড়ে বলাবাহুল্য প্রক্রিয়া অনেকখানি এগিয়ে গিয়েছে ।

এই ভ্যাকসিন নিয়ে যাবতীয় বি-তর্ক এবং স-মালো-চনা এর আগে দ-খল ক-রেছে খবরের শিরোনাম । জা-লিয়াতির কথা বা কারচুপির কথা উঠে এসেছে খবরের শিরোনাম এর মাধ্যমে । তবে এবার খোদ সাংসদ তথা অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী ভু-ল ভ্যা-কসিন নিয়ে প্র-তারণার শি-কার হ-লেন এবং নিজের উদ্যোগেই সেই পর্দা ফাঁ-স করলেন সবার সামনে । উপযুক্ত ব্যবস্থা নিলেন তিনি । কিভাবে এই ঘটনার সূত্রপাত জানাবো আপনাদের বিস্তারিত ।

মিমি চক্রবর্তী যাদবপুরের সাংসদ তার পাশাপাশি বাংলা ইন্ডাস্ট্রির একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী । কিন্তু তার কাছে খবর আসে যে কোন এক আইএএস অফিসার নাম দেবাঞ্জন পাত্র তিনি একটি ভ্যাকসিন ক্যাম্পের আয়োজন করেছেন এবং সে ক্যাম্পের প্রচার এর জন্য মিমি চক্রবর্তীকে সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল । মিমি চক্রবর্তী সেখানে উপস্থিত ছিলেন এবং সেখান থেকেই নিজের প্রথম ভ্যাকসিনটি গ্রহণ করেন । সেখানে প্রতিব-ন্ধী বা স-মকা-মীদের ভ্যা-কসিন দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল ।

কিন্তু পরবর্তী ক্ষেত্রে উঠে এলো চা-ঞ্চল্যকর তথ্য। মিমি চক্রবর্তী জানান যে ভ্যাকসিন নেওয়ার পর কোনরকম কোন মেসেজ আসে নি তার মোবাইল ফোনে । এমনকি সার্টিফিকেট চাইলেও তারা বলেন যে বাড়িতে পৌঁছে যাবে কিন্তু তিন-চারদিন অতিক্রম হওয়ার পরও সার্টিফিকেট আসেনি । তখন তিনি এই ব্যাপারে খোঁজ শুরু করেন এবং সেই ক্যাম্প থেকে ভ্যাকসিন নেওয়া অন্যান্য মানুষদের সাথে যোগাযোগ করেন এবং জানতে পারেন তাদেরও একই অবস্থা । যার ফলে তিনি বুঝতে পারেন যে একটা গ-ভীর ষ-ড়য-ন্ত্র চ-লছে এর মধ্যে ।

তারপর প্রশাসনের তৎপরতায় এই ক্যাম্পের আয়োজন দেবাঞ্জন দেব যিনি নিজেকে একজন আইএএস অফিসার হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন তাকে গ্রেফতার করা হয় । পরবর্তী ক্ষেত্রে জানা যায় তিনি একজন প্রতারক ।এমনকি অ-বৈধভা-বে কলকাতা মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করছিলেন তিনি । একটি জাল কার্ড পাওয়া গেছে তার থেকে । তবে এত পরিমান টিকা কোথা থেকে এলো সে ব্যাপারে চলছে ত-দন্ত ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button