এখন কি করে সেই ছোট্ট পান্তা ভাতের কুন্ডু, এখন দেখলে তাকে চিনতেই পারবেন না, ভাইরাল ভিডিও!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- কখনো কখনো ধারাবাহিক জগতে বা কোন রিয়েলিটি শোতে কোন অভিনেত্রী বা শিল্পী আমাদের এতটাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে সে সমস্ত অনুষ্ঠান গুলি শেষ হয়ে যাওয়ার পরও তাদের কে মনে থেকে যায় আমাদের । শুধুমাত্র মনে থেকে যায় এমন কিন্তু নয় । তার পাশাপাশি বারবার তাদের সম্পর্কে জানতে ইচ্ছে করে কেমন থাকে তারা এখন, বর্তমানে কি করছে এই ধরনের যাবতীয় তথ্য । ঠিক তেমনি বেশ কিছুদিন আগে জি বাংলাতে অনুষ্ঠিত হওয়া নাচের একটি রিয়েলিটি শো যার নাম ডান্স বাংলা ডান্স জুনিয়র । সেই ডান্স বাংলা ডান্স জুনিয়ার এর অন্যতম জনপ্রিয় একজন প্রতিযোগী দীপান্বিতা কুণ্ডু।

দেখতে নাদুসনুদুস হওয়ায় এবং যথেষ্ট যত্নের সাথে নৃত্য পরিবেশন করাতে মিঠুন চক্রবর্তী ওই বাচ্চা মেয়েটিকে “পান্তা ভাতের কুন্ডু “বলে ডাকতে শুরু করে। তারপর থেকে দীপান্বিতা কুন্ডু নামটা পাল্টে কোথাও যেন হয়েছে পান্তা ভাতের কুন্ডু । লোকজন তাকে দীপান্বিতা কুন্ডুর থেকে বেশি পান্তা ভাতের কুন্ডু বলেই বেশি চিনতে ত শুরু করে। কিন্তু রিয়েলিটি শো শেষ হওয়ার পর লাইমলাইট থেকে হারিয়ে যায় সেই ছোট্ট মেয়েটি। ফের আরো একবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠে এসেছে শিরোনামের এই দীপান্বিতা কুন্ডু।

নাচের অনুষ্ঠান থেকে বিদায় নেওয়ার পর আর তেমনভাবে বড় পর্দাটা দেখা যায়নি তাকে । তবে তার পাশাপাশি একটি ধারাবাহিকে তাকে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল । কিন্তু হঠাৎ করে দীপান্বিতা কুন্ডু অর্থাৎ মিঠুন চক্রবর্তীর সেই পান্তা ভাতের কুন্ডু অ-গোচরে হা-রিয়ে গে-লেন কেন সে ব্যাপারে অনেকে অনেক রকম জানার চেষ্টা করেছিলেন । কিন্তু সঠিকভাবে জানতে পারেনি কেউ । কিন্তু আজকের এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আপনাদেরকে জানাবো ঠিক এই মুহূর্তে কী কারণের জন্য দীপান্বিতা কুন্ডু এই সমস্ত কিছু থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখল ।

যেহেতু প্রতিদিন শুটিং থাকত তাই স্কুলে অনুপস্থিত থাকছিলেন দীপান্বিতা কুন্ডু । যার ফলে তার পড়াশোনার ক্ষ-তি হয়েছিল । আপাতত সে ক্লাস নাইনে পড়ে ।এবং তার মুখ থেকে শোনা যায় যে উচ্চমাধ্যমিক দেওয়ার পর তিনি পুনরায় ফিরবেন পর্দাতে । কারণ নাচ এবং অভিনয় তার সবথেকে প্রিয় । তবে ঘরের মধ্যে লু-কিয়ে রা-খে নি সে বা হাত গুটিয়ে বসে নেই । এই কয়েক বছর নিজেকে আর সুন্দরভাবে ঘ-ষে-মে-জে নিয়েছেন তিনি ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button