নিজস্ব প্রতিবেদক | বর্তমান নিউজ
বিড়ালের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং আশ্রয়হীন বিড়ালদের জন্য নিরাপদ বাসস্থানের বিষয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে আজ (২৯ অক্টোবর) পালিত হচ্ছে জাতীয় বিড়াল দিবস। যুক্তরাষ্ট্রে ২০০৫ সালে প্রাণীকল্যাণকর্মী কলিন পেইজ দিবসটি চালু করেন। পোষা বিড়ালের সঙ্গে মানুষের বন্ধন উদ্যাপনের পাশাপাশি এ দিনে বিড়াল দত্তক নিতেও উৎসাহিত করা হয়।
বিড়াল মানুষের জনপ্রিয় সঙ্গী প্রাণীদের একটি। তাদের চঞ্চলতা, স্বাধীনচেতা স্বভাব ও মানুষের সঙ্গে সহজে মিশে যাওয়ার ক্ষমতা অনেকের মন জয় করে। অনেকের কাছে বিড়াল শুধু পোষা প্রাণী নয়, পরিবারেরই অংশ। তবে ভালোবাসার পাশাপাশি তাদের সুস্থতা, নিরাপত্তা ও যথাযথ যত্ন নিশ্চিত করাও জরুরি।
পোষা বিড়ালের সুস্থতার জন্য নিয়মিত খাবার ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং প্রয়োজনে পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। তাদের সঙ্গে খেলাধুলা ও সময় কাটানো মানসিক সুস্থতার জন্যও উপকারী। বিড়াল পোষার আগে দীর্ঘদিন ধরে খাবার, চিকিৎসা ও পরিচর্যার দায়িত্ব পালনের সামর্থ্য আছে কি না, তা বিবেচনা করা উচিত।
দিবসটির অন্যতম উদ্দেশ্য আশ্রয়হীন ও পরিত্যক্ত বিড়ালদের প্রতি মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা। নিরাপদ আশ্রয় ও পর্যাপ্ত খাবারের অভাবে অনেক বিড়াল কষ্টে থাকে। সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের খাবার দেওয়া, প্রাণী আশ্রয়কেন্দ্রকে সহায়তা করা কিংবা দায়িত্ব নিয়ে বিড়াল দত্তক নেওয়ার মাধ্যমে তাদের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখা যায়।
বিড়ালের প্রতি সহমর্মিতা যেন একটি দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা পরিহার, অসুস্থ বিড়ালের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং তাদের পরিত্যাগ না করার মানসিকতা গড়ে তোলা জরুরি। সচেতনতা ও মানবিক আচরণের মধ্য দিয়ে বিড়ালের জন্য আরও নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব।