
নিজস্ব প্রতিবেদক | বর্তমান নিউজ
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সাত হাজারের বেশি মানুষকে আটক করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার রাত থেকে শুরু হওয়া ধরপাকড়ের পর আটক ব্যক্তিদের অধিকাংশকে শনিবার রাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নও ছিলেন। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও কেজরিওয়ালকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপসহ দলটির কয়েকজন নেতা এখনো মুক্তি পাননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি এবং সিজেপি নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার নামও রয়েছে।
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) বাতিলের দাবিতে এই বিক্ষোভের আয়োজন করে সিজেপি। শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিলেও দিল্লি পুলিশ এতে অনুমতি দেয়নি।
বিক্ষোভ ঠেকাতে আগে থেকেই প্রস্তুতি নেয় পুলিশ। সিজেপির তিন নেতা অভিজিৎ দীপ, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা মুম্বাই থেকে দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাঁদের আটক করা হয়। অন্যদিকে, গুরুগ্রামে নিজের বাসা থেকে আটক করা হয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে।
শনিবার দিনভর দিল্লির বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। একই সঙ্গে চলে ধরপাকড়। তবে আটক ব্যক্তিদের সর্বশেষ অবস্থা এবং কতজন এখনো পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন, তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।