বর্তমান নিউজ ডেস্ক :
বিশেষ প্রতিবেদক।
খেটে–খাওয়া মানুষের কষ্ট লাঘবে ইতিহাস সৃষ্টি করলেন জননেতা নজরুল ইসলাম আজাদ
আপনারা অবগত আছেন—গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি উপজেলার বাজার, ঘাট, নদীপথ, পরিবহন স্ট্যান্ডসহ রাজস্ব আদায়ের বিভিন্ন পয়েন্ট ইজারাদারদের নিকট হস্তান্তর করা হয়। এ ধারাবাহিকতায় আড়াইহাজার উপজেলার বিভিন্ন বাজার, ঘাট এবং সিএনজি/অটোরিকশা স্ট্যান্ডও ইজারা দেওয়া হয়।
সরকারি সিদ্ধান্ত—এখানে আজাদ ভাই বা বিএনপির ব্যক্তিগত কোনো সম্পৃক্ততা নেই
এটি একান্তই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত; এখানে বিএনপি বা জননেতা নজরুল ইসলাম আজাদ ভাই কিংবা তাঁর পরিবারের কোনো ব্যক্তিগত ভূমিকা নেই।
বরং ইজারা প্রদান প্রক্রিয়া সরকারের নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে।
ইজারার কারণে শ্রমজীবী মানুষের উপর চাপ বৃদ্ধি—আজাদ ভাইয়ের নজরে আসতেই দ্রুত সিদ্ধান্ত
ইজারা গ্রহণের পর বিভিন্ন বাজার ও স্ট্যান্ডে টোল/ফি নির্ধারণ করা হয়। এতে অটোরিকশা ও সিএনজি চালকদের দৈনিক খরচ বেড়ে যায় এবং তারা বাধ্য হয়ে ভাড়া বৃদ্ধি করলে যাতায়াত ব্যয় বাড়ে সাধারণ মানুষের।
এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ে আড়াইহাজারের নিম্ন–মধ্যবিত্ত, দিনমজুর, কর্মজীবী মানুষ।
এই পরিস্থিতি জননেতা জনাব নজরুল ইসলাম আজাদ ভাই এবং তাঁর পরিবারের নজরে আসতেই তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে উদ্যোগ নেন—
জনগণের কষ্ট কমাতে প্রয়োজন হলে সব টোল–ফি আমরা বহন করব”—আজাদ ভাইয়ের অঙ্গীকার
গণমানুষের নেতা হিসেবে তিনি সবসময় আড়াইহাজারের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। নির্বাচনী মাঠে নয়—বরং সারা বছর, প্রতিনিয়ত মানুষের সুখ–দুঃখে তাঁর পরিবারের অংশগ্রহণ রয়েছে।
সেই ধারাবাহিকতায় আড়াইহাজারের ৭ লক্ষ মানুষের কষ্ট বিবেচনায় নিয়ে আজাদ ভাই ও তাঁর পরিবার ঘোষণা করেন—
আড়াইহাজারে অটোরিকশা, সিএনজি ও শ্রমজীবী মানুষের চলাচল–সংক্রান্ত সকল টোল/ফি তাঁদের পরিবার নিজস্ব অর্থায়নে বহন করবে।
যতদিন প্রয়োজন—মানুষের কষ্ট লাঘব না হওয়া পর্যন্ত এ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
কেউ যাতে অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে হয়রানির শিকার না হয়—এ ব্যাপারে কঠোর নজরদারি থাকবে।
জনমনে স্বস্তি—আড়াইহাজারজুড়ে কৃতজ্ঞতার স্রোত
এ সিদ্ধান্ত ছড়িয়ে পড়তেই বাজার–ঘাট, স্ট্যান্ড, পরিবহন চালক, শ্রমিক, কর্মজীবী মানুষসহ সর্বস্তরের জনগণের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।
অনেকেই বলেন—
“মানুষের কথা ভেবে এমন সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র নজরুল ইসলাম আজাদের মতো নেতাই নিতে পারেন।”
বিভিন্ন বাজার কমিটি, ড্রাইভার সমিতি, ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় গণমানুষ আজাদ ভাইয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
আজাদ ভাইয়ের রাজনীতি—মানুষের পাশে থাকা, মানুষের কষ্ট বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া
সাধারণ মানুষের রাজনীতি করা এক বিরল উদাহরণ আজাদ ভাই। তাঁর পরিবার দীর্ঘদিন আড়াইহাজারে সামাজিক, মানবিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।
মানুষের কষ্ট দেখলে তিনি কখনো চুপ থাকতে পারেন না—এ সিদ্ধান্ত তারই প্রমাণ।
আড়াইহাজারবাসীর পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা
আমরা আড়াইহাজারের জনগণ—
খেটে–খাওয়া শ্রমজীবী ভাইবোনেরা,
চাষা–বাপ্তা কৃষক,
নিম্ন–মধ্যবিত্ত পরিবার—
সকলেই জননেতা জনাব নজরুল ইসলাম আজাদ ভাই ও তাঁর পরিবারকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
ধন্যবাদ জননেতা নজরুল ইসলাম আজাদ ভাই।
আপনার এ মানবিক সিদ্ধান্ত আড়াইহাজারের মানুষের মনে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে।