পরম যত্নে গান করতে করতে মেয়ের চুল বেঁ’ধে দিচ্ছেন বাবা জিৎ, সাহায্য করছেন স্ত্রী, ভাইরাল ভিডিও!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- অন স্ক্রিনে যিনি বস গোটা টলিউড ইন্ডাস্ট্রি তিনি কিন্তু বাড়িতে একজন খুব সাধারন বাবা আর বাকি পাঁচটা বাবার মতো তার মেয়ের কাছে তিনি সুপারস্টার সুপার হিরো । অভিনয়জগতে দাপট থাকলেও ব্যক্তিগত জীবনবা সংসার জীবনে কিন্তু মেয়ের কাছে একেবারে কু-পোকা-ত এই অভিনেতা । অনেক ক-ষ্ট করে নিজের জায়গা অর্জন করেছিলেন তিনি এবং বলাবাহুল্য তার অভিনয় জগতে প্রথম সাফল্যের পতাকা ওড়ে সাথী সিনেমার মাধ্যমে । এতক্ষণে নিশ্চয়ই আপনারা প্রত্যেকে বুঝে গেছেন যে আমি অভিনেতা জিৎ এর কথা বলতে চলেছি ।

অভিনেতা জিৎ এর নিয়ে কৌতুহলের শেষ থাকে না । কারণ নিজেও বাঙালি হলেও বাঙালিয়ানা কে নিজের র-ক্তে মিশিয়ে নিয়েছেন তিনি । তাইতো বলিউডে না গিয়েও টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে শুরু করেছেন নিজের ক্যারিয়ার জীবন ।যদিও তার বলিউডে যাবার অত্যন্ত ইচ্ছে ছিল এবং তার প্রিয় অভিনেতা হলেন অমিতাভ বচ্চন । কিন্তু তবুও তাঁর ক্যারিয়ার জীবন শুরু হয় এই বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে । তারপর এই বাংলা ইন্ডাস্ট্রিকে এনে দিয়েছে সাফল্যের সাদ ।

২০০৮ সালে যখন বাংলা ইন্ডাস্ট্রির ভ-রাডু-বি সময় চলছে তখন দুইজন অভিনেতা বাংলা ইন্ডাস্ট্রিকে তুলে ধরেছিল বিশ্বদরবারে । তাদের মধ্যে একজন হলেন জিৎ এবং অপরজন হলেন দীপক অধিকারী । যেকোনো ধরনের চরিত্রে নিজেকে মানিয়ে গুছিয়ে নিতে পারেন সবথেকে ভালো । তাইতো তার অভিনীত ছবিগুলি দর্শকদের মনে দা-গ কে-টে যায় ।।তার অভিনীত ছবি শুভ মুক্তি পাওয়া মানেই সিনেমা হল হাউসফুল হবে এমনটা অনুমান করা যেতেই পারে ।কেউ কেউ আবার তার ডায়লগ অনুকরণ করে স্বপ্ন দেখে টলিউডের অন্যতম তারকা হবার ।

এবার প্রকাশ্যে উঠে এসেছে জিতের সাথে তার মেয়ের একটি ভিডিও যেখানে তাকে দেখা যাচ্ছে নিজের মেয়ের চুল বেঁধে দিচ্ছেন তিনি । আগেই বললাম যে অনস্ক্রিনে তিনি বস হলেও বাড়িতে কিন্তু খুব সাধারন এক বাবা । ডক্টরস ডে উপলক্ষে এই ভিডিওটি শেয়ার করেছিলেন তার নিজস্ব ইনস্টাগ্রাম এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সেখানে তাকে দেখা যাচ্ছে ছোট্ট ৮ বছরের মেয়ের চুল বেঁধে দিচ্ছে অভিনেতা জিৎ ।এবং সেই মুহূর্তকে উপভোগ করছে তার ছোট্ট মেয়ে । ইতিমধ্যে বাবা এবং মেয়ের আদর মাখা সেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে নেট মাধ্যমে । ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র । এসেছে অনেক মন্তব্য।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button