“আমার দুই মা’ই আমাকে খুব ভালোবাসে”,- শাশুড়িকে জড়িয়ে ধরে আবেগপ্রবণ বার্তা শুভশ্রীর, তুমুল ভাইরাল ভিডিও!

নিজস্ব প্রতিবেদন: শ্বশুর বাড়ি নিয়ে বরাবর থেকেই মেয়েদের মনে আতঙ্ক তৈরি হয়ে থাকে। অনেকেই ভাবেন হয়ত শ্বশুরবাড়িতে তারা বাপের বাড়ির মত আদর— ভালোবাসা পাবেন না। কিন্তু এই ক্ষেত্রে একেবারেই ব্যতিক্রম অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী। বছর তিনেক আগে 2018 সালে পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর সাথে বিবাহবন্ধনে আ-বদ্ধ হন তিনি।

তারপর থেকেই নিজের পরিবার এবং স্বামীকে নিয়ে সুখে সংসার করছেন অভিনেত্রী।গতবছর লকডাউন চলাকালীন সময়ে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছেন শুভশ্রী। এই পুত্রের নাম রাখা হয়েছে ইউভান চক্রবর্তী।ইউভানকে এককথায় টলিউডের তৈমুর বলা যায়।

মাত্র সাত মাস বয়স হলেও এরই মধ্যে তার নামে সোশ্যাল মিডিয়ার পেজ থেকে শুরু করে অ্যাকাউন্ট খুলে গিয়েছে। যদিও মা হওয়ার পর থেকে পর্দার জগতে বিশেষ দেখা যায়নি শুভশ্রীকে। নিজের ছেলেকে মানুষ করার জন্য আপাতত ঘরেই রয়েছেন অভিনেত্রী।কারণ জনপ্রিয় নায়িকা হওয়ার পাশাপাশি তিনি তো একজন মা।

এবং মায়েরা কখনোই নিজেদের সন্তানদের একা ছেড়ে থাকতে পারেন না।সম্প্রতি মাতৃ দিবস উপলক্ষে সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েকটি আ-বেগপ্রবণ বার্তা দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। সেখানে নিজের মা এবং শাশুড়ি কে উদ্দেশ্য করে শুভশ্রীকে নানান পুরনো স্মৃতি শেয়ার করতে দেখা গিয়েছে।

নিজের সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, একমাত্র নিজের মায়ের জন্য অভিনয় জগতে আসতে পেরেছিলেন তিনি।তার অভিনয় করার ইচ্ছের কথা শুনে তাকে জমানো টাকা দিয়ে স্কুটি কিনে দিয়েছিলেন মা।অপরদিকে নিজের শ্বাশুড়ীর কথা বলতে গিয়ে শুভশ্রী লিখেছেন,এই কয়েক বছরে একবারের জন্যেও শুভশ্রীকে রান্না ঘরে প্রবেশ করতে দেননি তার শাশুড়ি মা।

এমনকি তার শাশুড়ি মা নিজের মেয়ের থেকেও বেশি যত্ন করেন তাকে।শুভশ্রীর শাশুড়ির কথায় কখনোই তিনি নিজের ছেলেকে রান্না ঘরে ঢুকতে দেন না তাই শুভশ্রীর ক্ষেত্রেই বা নিয়মের ব্যতিক্রম হবে কেন! শুভশ্রীকে নিজের ছেলের থেকেও বেশি ভালোবাসেন তিনি।

আপাতত রাজ চক্রবর্তীর মা স্বামীকে হারানোর পর নাতিকে নিয়েই বেশিরভাগ সময় কাটা-চ্ছেন।শুভশ্রী এবং রাজ ব্যস্ত থাকার সময়ে ইউভানের সমস্ত দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায় তার ঠাকুমাকে। এর বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি আমরা পরিচালক রাজ চক্রবর্তীকে দেখেছি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতে। সত্যি শুভশ্রীর শাশুড়ি মায়ের মতন এরকম মা পাওয়া অত্যন্ত ভাগ্যের ব্যাপার।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button