কি কারণে হলুদ দাগ পরে আমাদের দাঁতে? জানুন তা দূর করার উপায়! রইল ভিডিও।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- প্রত্যেকের হাসতে যথেষ্ট বেশি ভালো লাগে। অনেককে আবার হাসলে খুব সুন্দর লাগে। কিন্তু সেই হাসি ততক্ষণ পর্যন্ত সুন্দর থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার দাঁত পরিষ্কার থাকবে ।কোনো কারণে যদি আপনার দাঁতে দাগ জমে যায় তাহলে কিন্তু আপনার হাসি আপনাকে ততটা আকর্ষণীয় করে তুলতে পারবে না বরং আপনার ভাবমূর্তি অন্যের কাছে অনেকখানি নীচে নামিয়ে আনতে পারে। তাই দাঁত পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরী আমাদের প্রত্যেকের।

বিভিন্ন কারণে দাঁতে দাগ সৃষ্টি হতে পারে এবং আমাদের আশেপাশে বাজারে এমন অনেক ধরনের কেমিক্যাল রয়েছে যেগুলো কিন্তু দাঁতের দাগ দিয়ে সহজে পরিষ্কার করে দিতে সক্ষম। কিন্তু এই সমস্ত কেমিক্যাল গুলি সাময়িকভাবে সমাধান করলে চিরস্থায়ী কোন সমাধান করতে পারে না ।তাই চিরস্থায়ী সমাধান হবে একমাত্র যদি আপনি এই সমস্ত জিনিস গুলো থেকে বিরত থাকেন। আজকের প্রতিবেদন মাধ্যমে আমরা সংক্ষিপ্তভাবে জেনে নেবো যে ঠিক কি কি কারণে আমাদের দাঁতের দাগ পড়তে পারে।

১) প্রথমত বিভিন্ন কালার অর্থাৎ রং ব্যবহার করা হয় এরকম ধরনের খাবার আমরা খেয়ে থাকি। যেমন হলুদ মিশ্রিত কোন খাবার চকলেট আইসক্রিমের মধ্যে যে সমস্ত রং মেশানো থাকে সেই সমস্ত খাবারগুলি প্রতিনিয়ত খাওয়ার ফলে আমাদের দাঁতে দাগ সৃষ্টি হয়। এ গুলিকে বলা হয় ফুড স্টেইন এবং দীর্ঘদিন ধরে ব্রাশ করার পর কিন্তু অনায়াসে চলে যায় ।তাই এ ব্যাপারে চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

২) দ্বিতীয় যে উপায়টি দ্বিতীয় কারণটি আপনাদেরকে বলবো সেটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আমরা দিনে একাধিকবার এই জিনিসটি গ্রহণ করে থাকি। সেটি হল কফি কিংবা চা। চা এবং কফির মধ্যে যে পদার্থ গুলি থেকে থাকে সেগুলো কিন্তু দাঁতের মধ্যে দাগ সৃষ্টি করে দেয়। এবং প্রতিনিয়ত এই জিনিসগুলো বারবার ব্যবহার করার ফলে দাঁত অনেকটা ক্ষতিগ্রস্থ হয় ।তার পাশাপাশি দাগযুক্ত হয়ে পড়ে। তাই একাধিকবার চা কিংবা কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

৩) বিভিন্ন কেমিক্যাল আমরা ব্যবহার করি রাস্তার ধারে অনেক সময় দেখব যে এমনটা বলতে শোনা যাচ্ছে অনায়াসে দাঁতের দাগ পরিষ্কার করে নিন তাৎক্ষণিকভাবে। আপনি হয়তো দেখলেন যে আপনার দাঁত সত্যিই খুব তাড়াতাড়ি পরিষ্কার হয়ে গেল। কিন্তু দাঁতের উপরের যে লেয়ার থাকে সেই লেয়ারকে এই কেমিক্যাল সম্পূর্ণ রকম ভাবে ধ্বংস করে দেয়। যার ফলে সাময়ীকভাবে দাঁত পরিষ্কার দেখা গেলেও কিছু দিন পর আবার সেই আগের অবস্থায় ফিরে আসে। তাই এই ধরনের কেমিক্যাল একদম্ই গ্রহন করবেন না।

৪) ফ্লোরাইড দাঁতের দাগ সৃষ্টি করতে পারে। এই ফ্লোরাইড বিভিন্ন টুথপেস্টে থাকতে পারে বা দাঁত পরিষ্কার করার বিভিন্ন সামগ্রী কে থাকতে পারে । তাই ফ্লোরাইড যুক্ত টুথপেস্ট অতি অবশ্যই বর্জন করুন।

৫) অনেক সময় আমরা যে জল ব্যবহার করি তার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। এবং আয়রন মাত্রা বেশি এরকম জল যাতে ভবিষ্যতে বেশি ব্যবহৃত না হয় সে ব্যাপারে আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ আয়রন দাঁতের মধ্যে খুব সহজেই কঠিন দাগ সৃষ্টি করতে পারে।

৬) এছাড়া যারা প্রতিনিয়ত ধূমপান বা মদ্যপান করে তাদের ক্ষেত্রে দাঁতের দাগের পরিমাণ বেশি লক্ষ্য করা যায়। নিকোটিন প্রতিনিয়ত দাঁতের মধ্যে জমতে শুরু করে এবং সেটি চিরস্থায়ী একটি দাগে পরিণত হয়। তাই ধূমপান বা মদ্যপান থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করুন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button