হাতে আর মাত্র ক’টা দিন, ধেয়ে আসছে মহাপ্লাবন, ধ্বং”সে”র মুখে পৃথিবী!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর কথা আমরা প্রত্যেকে শুনেছি যার বাংলার আক্ষরিক অর্থ হলো বিশ্ব উষ্ণায়ন । এবার প্রশ্ন আসে বিশ্ব উষ্ণায়ন কেন হয় । বিশ্ব উষ্ণায়ন হয় প্রকৃতিতে অ-বৈধভাবে নি-র্মমভাবে একের পর এক গা-ছ কে-টে দে-ওয়া ফলে । ফলে প-রিবেশের ভা-রসাম্য ন-ষ্ট হয়ে যায় । এবং বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক জিনিসপত্র ব্যবহার করার ফলে যে গ্যাস উৎপন্ন হয় তা ওজোন স্তরে গিয়ে জমা হতে শুরু করে । এর ফলে সূর্যের আলো পৃথিবীতে প্রবেশ করে ঠিকই কিন্তু আর বাইরে মহাকাশে ফেরত যেতে পারে না ।

যার ফলে প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকে পৃথিবীর উ-ষ্ণতা এবং এই পৃথিবীর উ-ষ্ণতা যদি থাকে তাহলে কি কি ঘটনা ঘটতে পারে বলে আপনার মনে হয় । জানি আপনারা অনেকেই অনেক ধরনের ভাবনাচিন্তা ইতিমধ্যে করে ফেলেছেন ।তাও আমি একবার বলে রাকি যে গ্লোবাল ওয়ার্মিং যদি শুরু হয়ে যায় অত্যধিক মাত্রায় তাহলে বিশ্বের মহা সমুদ্রের জমে থাকা সমস্ত বরফের স্তুপ ধীরে ধীরে গলতে শুরু করবে এবং গোটা পৃথিবী জুড়ে সু-নামি সৃষ্টি হবে সেই সুনামিতে । একেবারে ধু-লিস্যাৎ হ-য়ে যা-বে প্রা-ণীকুল থেকে জী-বকুল প্রত্যেকে ।

বছরের পর বছর ধরে প্রকৃতির উপর ভাবে এই নি-র্মম অ-ত্যাচার ফল হিসেবে হিসেব করতে হতে পারে মানব সভ্যতাকে ।এই নিয়ে বিস্তর গবেষণা চলছে বিভিন্ন বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করেছে। ওহিও স্টেট ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর কসমোলজি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোপার্টিকল ফিজিক্সের গবেষক জ্যোতির্বিদ য়ি-কুয়ান চিয়াং তাঁর সম্প্রতি প্রকাশিত গবেষণাপত্রে দাবি করেছেন, সাফ জানাচ্ছেন, পৃথিবী আর ব্রহ্মাণ্ডের উ-ষ্ণতা একই সময়ে কাকতালীয় ভাবে বেড়ে চলেছে ঠিকই, কিন্তু এর একটির সঙ্গে অন্যটির কোনও যোগসূত্র নেই।

অর্থাৎ বিশ্ব উষ্ণায়ণের জন্য মানুষই দায়ী, মহাজাগতিক কোনও ঘটনা নয় । শুধুমাত্র এই বিজ্ঞানী নয় পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিজ্ঞানীরাও বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করেছেন যেখানে প্রমাণিত হয় যে বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য একমাত্র দায়ী মানব সভ্যতা । এবং সমীক্ষা থেকে এমনটা উঠে আসছে যে বিগত ১০ বিলিয়ন অর্থাৎ ১০০ কোটি বছর সময়ের পরিমাপে ব্রহ্মাণ্ডের উ-ষ্ণতা বেড়েছে আগের তুলনায় অন্তত ১০ গুণ বেশি। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বর্তমান সময়ের নিরিখে ব্রহ্মাণ্ডের উ-ষ্ণতার পরিমাণ ৪ মিলিয়ন ডিগ্রি ফারেনহাইট! অর্থাৎ আপনি নিজে অনুমান করতে পারছেন কি ভ-য়ঙ্কর দিনের দিকে আমরা এগিয়ে চলেছি প্রতিনিয়ত ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button