১০ লক্ষ টাকার স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের জন্য অনলাইনে আবেদন করবেন যেভাবে, রইল আবেদনের পদ্ধতি!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- এই রাজ্যের সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে কোন দিন যেন টাকা পয়সার কারণ জনিত কারণে পড়াশোনা থেমে না যায় তাই সেই বিষয়ে চিন্তা করেছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার । আমরা জানি যে ভোটের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটি ইস্তেহার প্রকাশ করা হয়েছিল । যেখানে তারা জানিয়েছিলেন যে ভোটে জেতার পর একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প চালু করতে চলেছে এই রাজ্যের বুকে । তাদের মধ্যে অন্যতম একটি প্রকল্প ছিল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড । কি স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড? জানা যাচ্ছে আমাদের রাজ্যে এমন বহু পড়ুয়া রয়েছে যারা টাকা পয়সার অভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে না ।

এবার যাতে সেই স-মস্যার স-ম্মুখীন কাউকে না হতে হয় তাই প্রতিটি পড়ুয়াদের কে ১০ লক্ষ টাকা করে স্টুডেন্ট কার্ড দেওয়া হবে অর্থাৎ ১০ লক্ষ টাকার ঋণ দেওয়া হবে পড়াশোনা করার জন্য । মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবান্ন থেকে সেদিন ঘোষণা করেন এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের । যে টাকা ঋণ নেবেন ৪ শতাংশ সুদ হিসেবে আপনাকে ঋণ পরিশোধ করতে হবে । যদি সঠিক সময়ে সঠিক নিয়ম মেনে ঋণ পরিশোধ করেন তাহলে এক শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে । সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় যেটি সেটি হল এক্ষেত্রে কোনো গ্যারান্টি প্রয়োজন হবে না ।

সরকার নিজেই এর গ্যারান্টার । ১৫ বছরের মধ্যে আপনাকে ঋণ শোধ করতে হবে আর এই খবর প্রকাশ উঠে আসার পর খুশির আমেজে ছাত্রছাত্রীরা । কিন্তু কিভাবে ফিলাপ করা হবে তা হয়তো অনেকেই জানেন না । যা জানাবো আজকের এই প্রতিবেদনের ।মাধ্যমে । অনলাইনে আবেদন করার জন্য আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট https://wbscc.wb.gov.in এ লগইন করতে হবে। সেখানে নির্দিষ্ট বিকল্প বেছে নিয়ে আবেদনকারীরা তাদের আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন করার সময় আবেদনকারীকে একটি মোবাইল নাম্বার দিতে হবে । যে মোবাইল নাম্বারে একটি ওটিপি আসবে ।তারপরে সম্পূর্ণ কাজটি শুরু হবে এরপর। প্রমাণপত্র হিসাবে যে সকল নথি দিতে হবে সেগুলি হল ঠিকানার প্রমাণপত্র, আধার নম্বর, দ্বাদশ শ্রেণীর কার্ড শিটের বিবরণ, বাবা-মায়ের কাজের বিবরণ, বাবা মায়ের আধার, প্যান ও ভোটার কার্ডের বিবরণ। তবে উল্লেখযোগ্য যে বিষয়গু-লি আপনাকে মাথায় রাখতে হবে সেটি হলো আপনাকে এই পশ্চিমবঙ্গের ১০ বছর বা তার বেশির বাসিন্দা হতে হবে লাস্ট ৬ মাসের ব্যাংক ডিটেইলস অর্থাৎ ট্রানজেকশন দেখাতে হবে ইত্যাদি

এই সমস্ত নথি জমা দেওয়ার পর আপনাকে জমা দিতে হবে ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস এবং লাস্ট ৬ মাসের স্টেটমেন্ট। দিতে হবে সম্প্রতি তোলা একটি পাসপোর্ট সাইজের কালার ছবি । আবেদন করা হলে আপনার দেওয়ার মোবাইল নম্বর অর্থাৎ রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে একটি ম্যাসেজ আসবে। আবেদন করা হলে উচ্চতর কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন যাচাই করে নিবেন এবং পরবর্তী মেসেজের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে আপনার স্টুডেন্ট কার্ডের আবেদন গৃহীত হয়েছে না প্রত্যাখ্যান হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button