দুধে জল মেশানো আছে কিনা এক মিনিটে তা বুঝে যাওয়ার দারুন কার্যকরী উপায়, রইলো দারুণ পদ্ধতি

নিজস্ব প্রতিবেদন :- যদি কোনও কারনে শরীর ভেতর থেকে দু-র্বল এবং অ-সুস্থ হয়ে পড়ে এবং সেটি যদি পুনরায় আবার ঠিক করতে হয় তাহলে অতি অবশ্যই আপনাকে দুধ পান করতে হবে । এমনটা আপনিও জানেন । অনেক সময় ডা-ক্তারবাবুরা দু-র্বল রো-গীকে অতিরিক্ত পরিমাণে দুধ পান করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন ।কারণ দুধের মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম অন্যান্য খনিজ পদার্থ যা দেহের ভেতরে গিয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষ-মতা বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে এবং থেকে দেহকে শক্ত করে।

শুধুমাত্র দেহ শক্ত সবল করতে সাহায্য করে তেমন কিন্তু। কি এর পাশাপাশি মস্তিষ্কের বিকাশ বা বুদ্ধির বিকাশ ঘটাতে এবং হাড় শক্ত করতে অতি অবশ্যই দুধ পান করা জরুরি । তাই তো ছোটবেলা থেকে বাচ্চাদের কে দুধ খাওয়ানোর অভ্যাস করা হয় । যাতে ছোটবেলা থেকে তাদের হাড় শক্ত হয় । কিন্তু বর্তমানে এই বাজারে বিভিন্ন অ-সাধু ব্য-বসায়ীরা রয়েছে যারা দুধের মধ্যে জল দিয়ে দেয় । যার ফলে দুধের থেকে যতটা পরিমাণ উপকার পাওয়ার কথা ততটা পরিমাণ উপকার পান না আপনি । কিন্তু এবার থেকে আপনার বাড়িতে থাকা দুধের মধ্যে জল রয়েছে কিনা তা জানা যাবে খুব সহজে ।

একদমই ঠিক শুনেছেন আসুন দেখে নেব কিভাবে । এইটি পরিমাপ করার জন্য একটি যন্ত্র আছে যাকে ল্যাক্টোমিটার বলে।আপনি এই যন্ত্রটি নিকটস্থ বাজারে হাতের কাছেই পেয়ে যাবেন। ল্যাক্টোমিটার পানি এবং দুধের সঠিক ঘনত্ব পরিমাপ করে। ল্যাক্টোমিটার খুবই উপকারী একটি যন্ত্র। এই পরিমাপক যন্ত্রের মধ্যে লাল রেখা দেখা যায় যেখানে পরিমাপের জন্য কিছু নির্দিষ্ট নাম্বার দেয়া থাকে। যখন এই লাল রেখা ৩০ নম্বরে থাকে তার মানে হচ্ছে দুধে অন্যান্য পদার্থের মি’শ্রণ খুব কম।

যদি এই দাগ ৩০ এর উপর যায় তাহলে পরিমাপক যন্ত্র অনুযায়ী ১/৪ পানি , আরো উপরে গেলে অর্ধেক পানি অর্ধেক দুধ। লাল রেখাটি এর থেকেও উপরে যদি উঠতে থাকে তাতে বুঝা যাবে অল্প দুধ আর বাকিটুকু মিশ্রিত পানি। ধরুন আপনি এই যন্ত্রটি যদি দুধের মধ্যে প্রবেশ করান এবং ৩০ ঘরের মধ্যে যদি কাটা থাকে তাহলে জানবেন দুধ এবং জলের পরিমাণ ঠিকঠাক । অর্থাৎ খাঁটি দুধ পাচ্ছেন । এরপর থেকে যদি দুধের মধ্যে জলের পরিমাণ ল্যাকটোমিটার ব্যবহার করুন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button