ফ্রিজে ডিম রাখতে গিয়ে ৯০ শতাংশ মানুষ যে ভুল করেন, এর ফলে অকালে ন-ষ্ট হয়ে যায় কি-ডনি!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- খাদ্য-তালিকায় টিমের নাম সবার উপরে অবস্থান করে । কারণ ডিম শরীরের কি কি উপকারে আসে সেটা নতুন করে কাউকে বলে দেওয়া দরকার পড়বে না । যদি কোন ব্যক্তি শা-রীরিক দু-র্বলতা ভো-গে তাহলে কিন্তু ডাক্তার বাবু অনেক সময় থাকে দিনের দুইটি করে ডিম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন । কারণ ডিমের মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন প্রোটিন যার ফলে শরীর ভেতর থেকে সুস্থ এবং সতেজ হয়ে উঠে । এবং ডিম দিয়ে অন্যান্য অনেক কিছুই খাবার বানানো যায় । তাই প্রতিনিয়ত বাজারে বেড়েই চলেছে ডিমের চাহিদা।

ডিম কে অনেকদিন ধরে সংরক্ষণ করে রাখার জন্য আমরা ফ্রিজের ব্যবহার করি । শীততাপ নিয়ন্ত্রিত এই রেফ্রিজারেটরে ডিম রাখার একটি বিশেষ নিয়ম রয়েছে যা আমরা হয়তো অনেকেই সেটা জানি না । আমরা ডিপ ফ্রিজের দরজার মধ্যে যে ডিম রাখার জায়গা থাকে সেই জায়গাতে দিন রেখে দিই । কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে সেই জায়গাতে ডিম রাখা চলবে না ।এতে আপনার শ-রীরে ক্ষ-তি হতে পারে ব্যা-পক প-রিমাণে । কিভাবে জানুন বিস্তারিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে যেখানে আমরা ডিম রাখি অর্থাৎ ফ্রিজের দরজায় তার পাশে ফ্রিজের রেগুলেটর থাকে । যার ফলে তাপমাত্রা ওঠানামা করে । এর ফলে ডিমে বিভিন্ন ব্যা-কটে-রিয়ার আ-ক্রমণে আ-শঙ্কা অত্যধিক মাত্রায় বেড়ে যায় । এবং সেই ব্যাকটেরিয়া যুক্ত ডিম যদি আমরা প্রতিনিয়ত সেবন করে চলি তাহলে তার ফল কি হতে পারে সেটি আপনাকে নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখেনা । তাই কোন এয়ারটাইট কন্টেইনার এর মধ্যে ভরে সেগু-লিকে ফ্রিজের মধ্যে অর্থাৎ দরজা বাদ দিয়ে বাকি অংশে রাখা যেতে পারে।

এর পাশাপাশি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে রান্না করার ডিম ফ্রিজের তিন থেকে চার দিনের বেশি রাখা চলবে না । এবং কাঁচা ডিম ফ্রিজে এক মাসের বেশি রাখা চলবে না । ঠিক এই পদ্ধতিগুলোর যদি আপনি অবলম্বন করেন তাহলে আপনার শরীরে যে কারণের জন্য ডিম খাওয়া হয় সেই কারণগু-লি সুষ্ঠু এবং পরিষ্কারভাবে কার্যকরী হবে ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button