কাশ্মীর নয়, এখন পশ্চিমবঙ্গেই করতে পারবেন আপেল চাষ! প্রতি মাসে আয় এক থেকে দেড় লক্ষ টাকা! জানুন বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- বর্তমানে যে সমস্ত শাকসবজি-ফলমূল চাষ করা হয়ে থাকে তার জন্য একটি নির্দিষ্ট আবহাওয়া বা জলবায়ু প্রয়োজন পড়ে। সব জায়গাতেই সবকিছু ফলমূল চাষ করা সম্ভব নয়। এমনটা ধারণা ছিল এতদিন ধরে আমাদের মধ্যে। কিন্তু যত আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি ততই ধারণা ফিকে পড়ে যাচ্ছে। এমন অনেক জায়গা রয়েছে যেখানে পর্যাপ্ত পরিমাণে জলবায়ু না থাকার পরও সেই সমস্ত জায়গাতে ফলানো যাচ্ছে শাকসবজি ফলমূল।

সেরকমই নদীয়ার প্রসেনজিৎ বাবু অসাধ্যকে সাধন করেছেন এবং আপেল চাষের মাধ্যমে তিনি এ কাজটি করেছেন। ভারতবর্ষের মধ্যে কাশ্মীরে সাধারণত আপেল চাষ করা হয় এবং কাশ্মীরের আপেল বিশ্ব বিখ্যাত আমরা প্রত্যেকে জানি। ইন্দোনেশিয়া আপেল চাষ হয়ে থাকে। কিন্তু যদি এমন টা আপনাকে বলা হয়েছে সেই আপেল হবে পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে। তাহলে কি আপনি অবাক হবেন,? অবশ্যই অবাক হবার কথা।

কারণ এখানকার জলবায়ু সেখানকার জলবায়ু তুলনায় অনেকটাই আলাদা। এই আবহাওয়াতে কিভাবে সুষ্ঠুভাবে আপেল চাষ করা যায় সে ব্যাপারে চিন্তিত হয়ে পড়েছে অনেকে। কিন্তু এই অসাধ্যকে সাধন করেছে নদীয়া জেলার প্রসেনজিৎ বাবু। বিশাল বড় একটা জায়গাতে বাগান তৈরি করেছেন তিনি এবং সেই বাগানটি হচ্ছে আপেলের বাগান ।এর উপরে তারজালি দিয়ে ঘেরাও করে দিয়েছেন যাতে কোন প্রকার বা পশুপাখি সেখানে ঢুকতে না পারে।

প্রসেনজিৎ বাবুর কথা অনুসারে প্রতিটি গাছ থেকে কমপক্ষে তিন হাজার টাকা করে উপার্জন করা যায়। তার বাগানে এই মুহূর্তে 160 টি আপেল গাছ রয়েছে ।যার ফলে তিনি সেখান থেকে ন্যূনতম এক লাখ কুড়ি হাজার টাকা উপার্জন করতে পারেন। অর্থাৎ নিজেই বুঝতে পারছেন যে এই মূল্য স্বল্প মূল্য নয়। আপেল চাষ করে এক লাখ টাকা ইনকাম করা মোটেও সহজ ব্যাপার না। কিন্তু সে অসম্ভবকে সম্ভব করে রীতিমতো খবরের শিরোনামে এসেছে এই প্রসেনজিৎ বাবু।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button