“নুসরাতের গর্ভে নিখিলের সন্তান” এবার সরাসরি লাইভে এসে মুখ খুললেন যশ দাশগুপ্ত, ভাইরাল ভিডিও!

নিজস্ব প্রতিবেদন:-পুনরায় এই গল্পের নতুন মোড় দেখা দিল এবার প্রকাশ্যে উঠে এলো নুসরাত জাহানের সন্তানের বাবার নাম এবং এই বাবা যে নিখিল জৈন সেটি আর কোন দ্বন্দ্ব থাকল না । ২০১৯ সালে নিখিল জৈন নামে এক ব্যবসায়ীকে তুরস্ক থেকে বিবাহ করেন তিনি । তার পরে এক বছরের মধ্যে সম্পর্ক পুনরায় বিচ্ছেদ করতে শুরু করে । ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে নিখিলের ফ্ল্যাট থেকে সমস্ত দরকারি জিনিসপত্র নিয়ে বালিগঞ্জে নিজের ফ্ল্যাটে চলে যান নুসরাত জাহান ।

তারপর থেকে ক্রমশ ঘনীভূত হতে থাকে জল্পনা মেঘএবং এর অন্যতম প্রধান কারণ অভিনেতা যশ সেনগুপ্ত ।।এমনটা মনে করছেন অনেক নেটিজেনরা।নুসরাত জাহানের এই ঘটনা প্রকাশ্যে উঠে জৈন।র পর প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকে সমালোচনার ঝড় কেউ কেউ বলে যে এই সন্তানের বাবা নিখিল জৈন । আবার কেউ কেউ বলে এই সন্তানের বাবা যশ দাশগুপ্ত । নুসরাত নাকি দুজনের সাথে সম্পর্ক ছিল এমনটা মন্তব্য করতে দেখা গেছে কাউকে ।

কিন্তু আদতে সত্যি ঘটনা কি সে বিষয়ে এতদিন পর্যন্ত ছিল না কোনো তথ্য-প্রমাণ । তবে এবার তথ্য-প্রমাণসহ বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন যশ দাশগুপ্ত এবং তাতে জানা গেল যে সন্তানের বাবা নিখিল জৈন ।অভিনয় জগতে সাফল্য পেলেও ব্যক্তিগত জীবনের সাফল্য বেশিদিন টিকিয়ে রাখতে পারেনি নুসরাত জাহান এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই অনেকেই যশ সেন গুপ্ত কে দায়ী করছেন । এবং তার মুখ থেকে প্রতিক্রিয়া শোনার জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন ।

কিন্তু এতদিন ধরে কোনো প্রতিক্রিয়া না পাওয়া গেলও সম্প্রতি যশ সেনগুপ্ত বলেন যে আমাকে নিয়ে এবার গুজব রটানো বন্ধ হোক ।। আমি নুসরাতের সন্তানের বাবা নই । নিখিলের পর এবার যশ সেনগুপ্ত সরাসরিভাবে জানিয়ে দিলেন নুসরাতের সন্তানের বাবা তিনি নন । তাহলে প্রশ্ন আরো গভীরভাবে উঠে আসছে যে নুসরাত জাহানের সন্তানের বাবা কে।

আমরা জানি নুসরাত জাহানের প্রচুর ফ্যান ফলোইং রয়েছে এবং তাদের অনুগামীদের একাংশের মতামত যদি এই সন্তান দাশগুপ্তের হয় তাহলে নিখিল যৌন কিভাবে জানলো যে সেই সন্তান কবে আসতে চলেছে তার গর্ভে । এমনকি গত ছয় মাস ধরে হয়তো নুসরাত জাহান নিখিল জৈন সাথে নেই কিন্তু তার আগে কিন্তু নুসরাত জাহান এর সাথে সংসার করতে । যার ফলে এর থেকে এমনটা ভীষণভাবে স্পষ্ট যে নুসরাত জাহানের গর্ভে সন্তান হচ্ছে নিখিল জৈন এর ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button