স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড- চাকরি না পেলে টাকা ফেরত কি দিতে হবে না? জানুন আসল সত্যতা!

নিজস্ব প্রতিবেদন:-আমরা জানি যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই রাজ্যের মেধাবী অথচ আর্থিক সমস্যায় ভুগতে থাকা পড়ুয়াদের জন্য নিয়ে এসেছে একটি নতুন প্রকল্প যার নাম স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড । স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি ছাত্র ছাত্রীদেরকে অর্থাৎ এই পশ্চিমবঙ্গে স্থায়ী বাসিন্দা ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ১০ লক্ষ টাকা করে শিক্ষাগত লোন দেওয়া হবে । যেটি ফলে ফলে সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা টাকা পয়সার অভাবে আর কখনো পড়াশোনা থেকে বঞ্চিত থাকতে পারবেনা । মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফ থেকে জানা গেছে যে এই রাজ্যের সমস্ত রাজ্যের গর্ব । তারা যাতে কোনো রকম কোনো সমস্যা না পরে অন্তত টাকা পয়সার দিক থেকে তার জন্য তাদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার ।

কি এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড এর মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে ।।স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড হলো এক ধরনের কার্ড যেখানে আপনাকে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য করা হবে সরকারের পক্ষ থেকে । আপনি এই ঢাকা ব্যাংক থেকেও নিতে পারেন । কিন্তু সেক্ষেত্রে আপনাকে গ্যারান্টার হিসেবে কিছু জমা রাখতে হবে ব্যাংকে । কিন্তু স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে টাকা নিলে কোন রকম কোন গারেন্টার এর প্রয়োজন পড়বে না । পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার নিজস্ব এর গরেন্টার ।।

এর পাশাপাশি ব্যাংক থেকে লোন নইলে দুধ সমেত পরিশোধ করতে হতো । সেই পরিমাণ সুদ কিন্তু এখানে করতে হবে না ।খুব অল্প মাত্রায় সুদ প্রদান করতে হবে। এর পাশাপাশি কখনই আপনাকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের তরফ থেকে টাকা জমা দেওয়ার জন্য তাড়াহুড়ো বা চাপ দেওয়া হবে না ।১৫ বছরের মধ্যে স্বল্প করে আপনি টাকা প্রদান করে দিতে পারেন ।অবশ্যই এটি চাকরি পাওয়ার পর ।অনেকের মনে প্রশ্ন আসে এটা জন্য আবেদন করবে কিভাবে ।তবে একথা বলে রাখা দরকার যে এই কার্ডের জন্য আবেদন করতে গেলেও তাকে অতি অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের অন্তত ১০ বছর স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে এবং বয়স ৪০ বছরের নিচে হতে হবে ।

কিন্তু যে সমস্ত প্রশ্ন গুলো বারবার ভাবাচ্ছে রাজ্যের পড়ুয়াদের সেগুলি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব প্রথম প্রশ্ন যদি থেকে থাকে যে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের ধরুন যে কার্ড দেওয়া হচ্ছে যেটি অনেকটা এটিএম কার্ডের মতন দেখতে । সেই কার্ড সোয়াইপ আপ করলেই কি টাকা মিলে যাবে? একদমই না । ধরুন আপনি কোন একটা কলেজে ভর্তি হলেন সেই কলেজে ভর্তি হওয়ার বিল হল এক লক্ষ টাকা । স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে সেই টাকাটা সরাসরি কলেজের একাউন্টে জমা হবে । আপনার মারফত দিয়ে কখনই নয়।

দ্বিতীয় যে প্রশ্নটা উঠে আসছে এবং যেটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে চাকরি পাবার ১৫ বছরের মধ্যে আপনাকে এই টাকা শোধ করতে হবে । যদি কোনো কারণে চাকরি না পায় সে ক্ষেত্রে কিভাবে সে ক্ষেত্রে স্পষ্টভাবে কোথাও এমন উল্লেখ করা নেই যে চাকরি না পেলে আপনাকে টাকা শোধ করতে হবে না । অর্থাৎ এমনটা ধরে নেওয়া যেতেই পারে যে আপনি চাকরি পান অথবা টাকা কিন্তু আপনাকে ৪% সরল সুদ হারে ১৫ বছরের মধ্যে ফেরত দিতেই হবে । তাই যাদের সত্যিই ভীষণ দরকার তারাই একমাত্র আবেদন করুন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button