স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করার আগে সাবধান, প্রত্যেক ছেলেমেয়েদের জেনে রাখা উচিত এই বিষয়টি!

নিজস্ব প্রতিবেদন :-আপনাদের মধ্যে অনেকেই এমন টা জানেন যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় এবং রাজ্য সরকারের তৎপরতা তে এই রাজ্যে চালু হয়েছে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড ।।যে সমস্ত পড়ুয়ারা টাকা পয়সার অভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেনি তাদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য শিক্ষা এবং তারা এই কর্মসূচির মাধ্যমে এই প্রকল্পের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া মানুষদের কে সামনের সারিতে উঠে আনার চেষ্টা করছে প্রবল পরিমাণে । কিন্তু একটা কালো দিক রয়েছে এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের যেটা হয়তো অনেকের অজানা।

আপনারা হয়ত এমনটা অনেকেই শুনেছেন যে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার জন্য অতি অবশ্যই রাজ্যের ১০ বছরে বাসিন্দা হতে হবে । তার পাশাপাশি সরকারি কোন একটা স্কুলে তাকে পঠন-পাঠন করতে হবে । সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দেয়া হবে ঋণ । একদম ঠিক শুনেছেন এটা কোন অনুদান নয় একটা ঋণ এবং ৪% সুদে হারে আপনাকে ১৫ বছরের মধ্যে সেই টাকা শোধ করতে হবে ।। এখানে কিছুটা ধাঁধা তৈরি হয়েছে সাধারণ পড়ুয়াদের মধ্যে । যে আজকেরে প্রতিবেদনের মাধ্যমে আপনাদের সামনে সমাধান করার চেষ্টা করব ।

আপনি ব্যাংক থেকে লোন নেওয়া সরকারে থেকে টাকা কিন্তু আপনাকে কেউ বিনামূল্যে দিচ্ছে না সে অর্থে সুদের অংক মিলিয়ে দিতে হবে টাকাটা ।।এবার বলা হয়েছে চাকরি পাবার ১৫ বছরের মধ্যে আপনাকে সম্পূর্ণ টাকা দিতে হবে ।।অনেকের প্রশ্ন থাকে যদি চাকরি না পায় সে ক্ষেত্রে টাকা শোধ করবে কে? সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া থাকবে এই প্রতিবেদনে ।

আপনি যদি সেই বিজ্ঞপ্তিটি ভালো করে পড়েন তাহলে মনটা অনুধাবন করতে পারবেন যে আপনি যে কাজের জন্য ঋণ এর আবেদন করেছেন অর্থাৎ ধরুন আপনি ডিপ্লোমা বিটেক কলেজে ভর্তির জন্য বা পড়াশোনা চালানোর জন্য ১০ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছে সেই ঋণ কিন্তু আপনাকে বলে দেওয়া মাত্রই দিয়ে দেওয়া হবে না ।।উপযুক্ত এবং প্রমাণ আপনাকে দেখাতে হবে ।দ্বিতীয়ত সেই পঠন-পাঠনের যে সময় কাল থাকবে সেই সময়কার শেষ হয়ে যাওয়ার পর আরও অতিরিক্ত একটা বছর আপনাকে সময় দেয়া হবে এবং তারপর থেকে ১৫ বছরের মধ্যে আপনাকে কিন্তু সেই টাকাটা পরিশোধ করতে হবে ।

ধরুন আপনি বিটেক কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্য চার লক্ষ টাকার লোন নিয়েছেন । বিটেক কলেজ এর সময়সীমা হচ্ছে চার বছর ৪ বছর ।।সেই সময় শেষ হয়ে যাওয়ার পর আপনাকে আরও একটা বছর সময় দেওয়া হবে । এই এক বছরের মধ্যে আপনি চাকরি পেতে পারেন আবার নাও পেতে পারেন বা অন্যকোন উচ্চ শিক্ষার সাথে যুক্ত হতে পারেন । কিন্তু এক বছর পর থেকে পরবর্তী ১৫ বছরের মধ্যে আপনাকে কিন্তু টাকাটা যেমন করে হোক শোধ করতে হবে উপযুক্ত সুদ সমেত ।।তাই যাদের সত্যিই খুব প্রয়োজন তারাই একমাত্র স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করুন ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button