দারুন কায়দায় এই পদ্ধতিতে ঝিঙে বাটলে ওই ঝিঙে বাটা দিয়েই ভাত খাওয়া হয়ে যাবে এক থালা, রইলো পদ্ধতি ভিডিও সহ!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- সাধারণত ঝিঙে বা ঝিঙে জাতীয় কোন শাকসবজি খেতে আমাদের ততটা পছন্দ হয় না । কিন্তু আপনি কি কখনও ভাবতে পারবেন যে শুধুমাত্র ভিন্ন স্বাদের রেসিপি মাধ্যমে এই ঝিঙে কে তৈরি করা যেতে পারে সুস্বাদু খাবারের। যদি এমনটা আপনার মনে না হয়ে থাকে তাহলে এই প্রতিবেদন আপনার জন্য । কারন এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আপনাদেরকে আমি এমন একটি রেসিপি বলতে চেয়েছি যেটি আপনি খেয়ে ছাড়তে পারবেন না। আসুন দেখে নিই কিভাবে তৈরি করতে হয়।

বিভিন্ন ধরনের রান্না করতে আমাদের সকলের ভালো লাগে এবং সেই সমস্ত রান্নাগুলো সাধ নতুন নতুন যাতে হয় সেই চেষ্টা করে থাকি আমরা প্রতিনিয়ত । কিন্তু তবুও মানুষ বিফলে যায় মাঝেমধ্যে । তবুও মানুষ চেষ্টা করতে ভুলে না । তাইতো আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের খাবার খেতে পারি । যেখানে বর্তমান প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা ঝিঙের নাম শুনলেন নাক সিটকায় সেটাই সেখানে যদি আপনি এই রেসিপিটি তাদেরকে রান্না করে খাওয়ান তাহলে কিন্তু তারা এক থালা ভাত পরিষ্কার করে দেবে শুধুমাত্র এই রেসিপিটি দিয়ে।

প্রথমে আপনাকে ঝিঙ্গে গু-লিকে ভালো করে পরিষ্কার করে ছাল ছাড়িয়ে ছোট ছোট অংশ কে-টে রাখতে হবে । তারপর সেগুলো কি একটা ব্লে-ন্ডারে ব্লে-ন্ড করে পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। তারপর কড়াইয়ে মধ্যে কিছুটা পরিমাণ তেল দিতে হবে এবং তার মধ্যে দিতে হবে তিন থেকে চারটি শুকনো লঙ্কা পাঁচফোড়ন কালোজিরা এবং একবাটি পেঁয়াজ কু-চি । তারপর সমস্ত উপকরণ গুলো ভালো করে বেশ কিছুক্ষণ ধরে কষিয়ে নিতে হবে এবং তার মধ্যে দিতে হবে আগে থেকে পেষ্ট করে রাখা এই মিশ্রণটি ।

তারপর সামান্য পরিমাণ লঙ্কাগুঁড়ো এবং হলুদ দিয়ে অনবরত আপনাকে নেড়ে যেতে হবে । যতক্ষণ না পর্যন্ত মধ্যে ঝিঙে এর মধ্যে থাকা জল সম্পূর্ণ রকমভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে । ততক্ষণ আপনাকে ভাল করে নাড়তে হবে। এবং প্রায় ১০-১৫ মিনিট ভালো করে নেড়ে নেবার পর দেখবেন অনেক খানি শুকিয়ে এসেছে সেই মিশ্রণটি ।তখন বুঝবেন এটি তৈরি হয়ে গেছে এবং এই রেসিপিটি গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করতে পারেন যে কাউকে ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button