আপনার কাছে দু টাকার এমন কয়েন থাকলেই পেতে পারেন ৯০ হাজার টাকা, যেখানে দুই টাকার কয়েন জমা দিলে পাবেন টাকা, রইলো বিস্তারিত!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- পুরনো যুগের জিনিস গুলো বারবার মূল্যবান জিনিস ফিরে আসে নতুন যুগে । এই ঘটনা প্রমাণ আমরা বহুবার পেয়েছি এর আগে সম্প্রতি পেলাম আরো একবার । আমাদের মধ্যে এরকম অনেকে আছেন যারা পুরনো জিনিস সঞ্চয় করে রাখতে ভালোবাসেন বা এক প্রকার নে-শা হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের এমনটা বলতে পারেন । সেটি পুরনো নোট হতে পারে কোন বিরল যন্ত্রপাতি হতে পারে বা পুরনো কয়েন হতে পারে । কখনো কখনো দেখা যায় সেই সমস্ত সঞ্চয় কারির জন্য এসেছে সুখবর ।

মাত্র একটি কয়েন বিক্রি করে রাতারাতি লাখপতি হওয়া যেতে পারে । বিশ্বাস হচ্ছে না তাহলে আজকের প্রতিবেদন আপনার জন্য । সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি পড়লে আপনি বুঝতে পারবেন যে এই কয়েন যদি আপনার কাছে থেকে থাকে তাহলে আপনিও রাতারাতি ৫ লক্ষ টাকার মালিক হতে পারেন । সম্প্রতি অনলাইন ই কমার্স সাইট গু-লির পক্ষ থেকে জানা যাচ্ছে যদি আপনার কাছে পুরনো দু’টাকার কয়েন থেকে থাকে তাহলে আপনি সেটি বিক্রি করে ৫ লক্ষ টাকা পেতে পারেন । একদমই ঠিক শুনেছেন তবে কিছু শর্ত রয়েছে ।

এবং সেই শর্ত সাপেক্ষে বলা হয়েছে কয়েনগু-লি অবশ্য ১৯৯৮, ১৯৯৯,২০০০ সালের সিরিজের হতে হবে । নইলে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না । এর জন্য আপনাকে যা যা করণীয় তা তুলে ধরা হলো নিচের অংশে । মন দিয়ে পড়ে সেটি বোঝার চেষ্টা করুন এবং যদি আপনার কাছে সেই সিরিজের কয়েন থেকে থাকে তাহলে রাতারাতি হয়ে উঠুন লাখপতি। সম্প্রতি ই-কমার্স সাইট কুইকার থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জা-রি করা যায় সেখানে জানানো হচ্ছে যে পুরনো দু’টাকার কয়েন যদি আপনি দেন তাহলে ৫ লক্ষ টাকা পেতে পারেন ।

এর জন্য আপনাকে ই-কমার্স সাইটে অনলাইন বিক্রেতা হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে । তারপর সেখানে প্রদান করতে হবে আপনার নাম ঠিকানা ইমেইল এড্রেস ফোন নাম্বার এবং সবশেষে আপনাকে কয়েনের ছবিটি সেখানে আপলোড করতে হবে । আপনি যদি ভাগ্যবান হয়ে থাকেন তাহলে কোনো ক্রেতা আপনাকে ফোন করে সেই কয়েনটি সংগ্রহ করে নেবে । এবং যার বর্তমান মূল্য হবে ৫ লক্ষ টাকা । অর্থাৎ সামান্য দুই টাকার কয়েন বিক্রি করে আপনি পাঁচ লাখ উপার্জন করতে পারেন । তাহলে আর দেরি কিসের? আজ ই বাড়িতে চিরুনি তল্লাশি শুরু করে দেন এবং খুঁজে দেখুন কোথাও যদি লু-কিয়ে থাকে এই সিরিজের দু টাকা কয়েন ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button